দূর্গাপুজো কেটে যাবার পর আমাদের বন্ধু অরুন্ধতী (এই ভদ্রমহিলা খুব গুণী মানুষ। ছবি আঁকতে পারেন, বেজায় ভালো আবৃত্তি করেন। উপস্থিত ক্লাস ফোর-এ পড়ছেন।) তার পুজো কেমন কাটল সেই নিয়ে জয়ঢাকের দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে একখানা। জয়ঢাকের বোলে এবারে সেই চিঠির বুলি -- "পুজোর আগে কী'রকম এক অদ্ভুত মনে হয়েছিল। যেন সুন্দর মাঠ, ঘাট, রঙে রঙে রাঙিয়ে দিল রামধনু। এ এক অপূর্ব দৃশ্য। এইসব বেশিরভাগই দেখা যায় গ্রামে। তবে শহরে দেখা যায় কিন্তু খুব কম। আমাদের মাঠে ঢাকি চলে এসেছে। ঠাকুরও চলে এসেছে। আমার তো পুজোর আগের দিন আবৃত্তির ফাংশান ছিল। আচ্ছা তোমাদের দশমীর দিন মন খারাপ করে না? আমার তো খুব মন খারাপ করে। ঠাকুর ভাসান দিতে যাওয়ার সময় আমি খুব নেচেছি। সব ঠাকুরের কানে কানে বলেছি, আবার এসো। কিন্তু গণেশের কানে বলে আমি এত সুবিধে পেয়েছি, কারণ, গণেশের কান তো খুব বড়! তা যাই হোক, পুজো আমার খুব আনন্দেই কেটেছে।"
জয়ঢাক-এর গ্রাহক হ’তে সম্পাদককে মেল করুন editor@joydhak.com বা joydhak@gmail.com –এ।
অথবা চিঠি লিখুন নিচের ঠিকানায় –
সম্পাদক
জয়ঢাক
প্রযত্নে – সুচেতনা
১৬ এ টেমার লেন
কোলকাতা – ৯