মাসকাবারি জুন ২০০৯

If you cannot read bengali font properly in this site, please download the font (bangla.ttf) in your computer from here. Extract the downloaded zip file and get the font bangla.ttf. Open the control panel and paste the font in the font folder of control panel. If this does not help, please visit this page in Wikipedia about Bangla unicode script display and input help.

 

মাসকাবারি’র জুন সংখ্যা মানে অর্ধেক বছর পেরিয়ে আসা। মানে ছ’টা ক’রে আলোচনা যোগ হয়েছে আর্কাইভে। এর মধ্যে মেলবক্সে জমা হয়েছে আরও ছ’মাসের রসদ। পাঠক আর আলোচকদের শুভেচ্ছা জানাই এরকম একটা নতুন ধরনের ওয়েবপত্রিকাকে এগিয়ে নিয়ে চলার জন্যে। ধন্যবাদ জানাই সৃষ্টিসুখ ডট কম-এর রোহণ কুদ্দুসকে, যাঁর অফুরন্ত উৎসাহ মাসকাবারি’র অন্যতম চালিকাশক্তি। যদিও নানা কারণে অনলাইন গ্রন্থাগারটি এই মাসেও চালু করা গেল না সাধারণ পাঠকের জন্যে, তবু আশা করা যায় পরের মাসে অনলাইন করা যাবে এই প্রচেষ্টাটিকে। পাঠকের কাছে অনুরোধ, আপনারা মাসকাবারির লিংক পৌঁছে দিন আরও বন্ধুর মেলবক্সে। আরও বেশি ক’রে পড়ার এবং আলোচনা করার সুযোগ আসুক আমাদের সবার।

জমা খরচ বাড়তে থাকুক।

সেখ নাফিসা
সম্পাদক, মাসকাবারি

 

ওয়েবম্যাগ


ওয়েবের বাংলা পত্রিকা, যাকে আমরা বলি ওয়েবম্যাগ বা ইম্যাগ, তা আস্তে আস্তে পরিণত হ’য়ে উঠছে। উঠে আসছে নতুন পত্রিকাও। এমনই ২টি আকর্ষক ওয়েবম্যাগের সাম্প্রতিক সংখ্যা নিয়ে সেখ নাফিসা আলোচনা করলেন।

» আরও পড়ুন

ব্লগায়ন


কবি আন্দালীব তাঁর কবিতার ব্লগের ক্যাপশানে যাই লিখুন না কেন, তাঁর কবিতাকে গিমিকবাজি বলা যায় কি? যে কবিতার শেষে লেখা হয় – ‘চাবিসারাইয়ের লোকটা রাস্তা হেটে হেটে/ রিনিকিঝিনিকি ম্যাজিক বাজাচ্ছে/ ম্যাজিক বাজাচ্ছে’; সেই কবিতাকে গিমিকের পর্যায়ে না ফেলে বরং সরল পাঠ বলা যাক। কিন্তু এই সরলতা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় তো? তাৎক্ষণিক একটা খসড়া’য় চোখ রাখলাম কবিকে অপ্রস্তুত ধরার প্রত্যাশায়।

» আরও পড়ুন

বইপত্র


সাতজন কবির কবিতাকারি ও গালগল্প; অথচ গোল নয়, সুডৌল নয়, বলতে গেলে নির্দিষ্ট কোনো আকারই নেই। একত্রে প্রকাশিত হয়েছে দার্জিলিং এর ডি কোং থেকে। সাতটি বই হালকা পলকা কলেবরে হলেও প্রতিটি বই আলাদা করে নজর কাড়ে। শুরু থেকে শেষ, মায় প্রচ্ছদ পর্যন্ত নিবিড়ে গভীরে গলাগলি। কিছু অনুভব কিছু অনুরণন নতুন কবিতা ও গল্পের অবয়বে; নতুন কাঠামোয় নতুন উপলব্ধিতে। এই সাত সমুদ্র থেকে দুএকটা মুক্তো কুড়িয়ে আসুন না পাঠক, একটু নদীর খোঁজে যাই, যেখানে উপরিতলের স্বচ্ছ শান্ত জলের নিচে কুটিল আবর্ত, আপনাকে টেনে ডুবিয়ে দেবে অতলে; অথচ কোথায় যেন একটা ভেন্টিলেশান রেখে রেখে এগিয়েছেন কবিরা, যে পরিসরে নিঃশ্বাস নিলে গন্ধহীন পলাশেরও ঘ্রাণ উঠে আসে। এ মাসে প্রকাশিত হল দ্বিতীয় কিস্তি।

» আরও পড়ুন

মাসকাবারি সাহিত্য

জলপাইগুড়ি থেকে প্রকাশিত এখন বাংলা কবিতার কাগজ’এর ৬ষ্ঠ বর্ষের প্রথম সংখ্যার (বইমেলা ২০০৯-এ প্রকাশিত) কিছু নির্বাচিত কবিতা এসে পৌঁছেছিল মাসকাবারির মেলবক্সে। সম্পাদক অতনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কবি মানিক সাহাকে শুভেচ্ছা জানাই এই কবিতাগুলি ইন্টারনেটে প্রকাশের সুযোগ ক’রে দেওয়ার জন্যে। আগের মাসে ছিল ৮টি কবিতা। এ মাসে রইলো আরও ৬টি।

» আরও পড়ুন

এ মাসের পাঠ


তাঁর এ মাসের পাঠ লিখলেন রোহণ কুদ্দুস। মেল অ্যাটাচমেন্ট হিসাবে পাওয়া অমিতাভ নাগের ইকিরু গদ্যটি নিয়ে ভালো লাগা আর খারাপ লাগা জানালেন সৃষ্টি’র সম্পাদক।

» আরও পড়ুন

যাচ্ছেতাই



কবিতা লিখিয়ে হিসাবেই নিজের পরিচয় ছড়িয়ে দিতে চান তিনি। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর গদ্যের সুখ্যাতি তাঁর কবিত্বের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হ’য়ে দাঁড়িয়েছে। কিছুদিন আগে পর্যন্তও লোকে তাঁকে ডাকত পিজ্জা বালক। কিন্তু এখন তাঁর নতুন পরিচয় সফো। সফটওয়্যার ইঞ্জিনীয়ার নিয়ে তাঁর লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল মুখোমুখি ডট কমে। বেরিয়েছিল সামহোয়্যার ইন ব্লগ ডট নেটে তাঁর ব্লগেও। তারপর লেখাটি মেলের মাধ্যমে ফরওয়ার্ড হ’তে থাকে এন্তার। এমনকি রোহণ জানালেন ফরওয়ার্ড মেল হিসাবে তাঁর নিজের কাছেই নিজের লেখাটি বেশ কয়েকবার এসেছে। সম্প্রতি লেখাটা প্রকাশিত হয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয়তে। গদ্যকার রোহণ কুদ্দুসের জয় হউক। এবারের যাচ্ছেতাই-এ থাকলো রোহণের সফো।

» আরও পড়ুন

মাস্টার'স ভয়েস

বাংলা সাহিত্য, ওয়েবম্যাগাজ়িন, সৃষ্টিসুখ... এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন তিনি – কবি, গদ্যকার, সম্পাদক, ওয়েবসাইট ডিজ়াইনার রোহণ কুদ্দুস। তাঁর সম্পাদিত ওয়েবম্যাগ সৃষ্টি এই এপ্রিলে ৫ বছর পূর্ণ করল। একটা ওয়েবম্যাগের ৫ বছর পূর্তি হয়ত বিরল ঘটনা নয়। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে একটা ওয়েবপত্রিকার ২০টি সংখ্যা প্রকাশ করতে পারাটা নিঃসন্দেহে প্রশংসা দাবী করে। কেমন ছিল এই যাত্রা? কীভাবে শুরু হল সৃষ্টি? একটা ওয়েবপত্রিকা প্রকাশের রোমাঞ্চকর বিবরণ উঠে এল রোহণের কলামে। এই সংখ্যায় রোহণ জানালেন তাঁর লেখকদের কথা।
» আরও পড়ুন